টুজি মামলায় বেকসুর খালাস প্রাক্তন টেলিকমমন্ত্রী এ রাজা ও কানিমোঝি সহ ১৫ জন অভিযুক্ত

Former telecom minister Beksoor Khalas in the 2G case
রেহাই মিলল এ রাজা কানিমোঝি-সহ আরও ১৫
Former telecom minister Beksoor Khalas in the 2G case
রেহাই মিলল এ রাজা কানিমোঝি-সহ আরও ১৫

আজবাংলা   দেশের সর্ববৃহত্ কেলেঙ্কারি হিসেবে চিহ্নিত ছিল এই টুজি কেলেঙ্কারি দিল্লিতে সিবিআইয়ের  বিশেষ আদালতে টুজি কেলেঙ্কারির রায়। প্রাক্তন টেলিকম মন্ত্রী এ.রাজা, কানিমোঝি সহ এই মামলার ১৫ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দিল সিবিআই আদালত।  স্বাধীনোত্তর ভারতে সব থেকে বড় স্ক্যামে অভিযুক্তরা ছাড়া পেলেন। আদালতের এই রায়ে ডিএমকে সহ কংগ্রেস পরিচালিত ইউপিএ সরকারের ভাবমূর্তি নিয়ে যে প্রশ্ন বিরোধীরা অতীতে তুলেছে তা থেকে নিস্তার পেল ২০১০ সালে প্রথম সামনে আসে এই টুজি কেলেঙ্কারি। প্রসঙ্গত, ২০০৭-০৮ সালে নামমাত্র অর্থের বিনিময় দেশের টেলিকম অপারেটরদের সেকেন্ড জেনারেশন বা টুজি লাইসেন্স দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। সেসময় কোনও রকমের সঠিক নিলাম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়। এই পুরো বিষয়টির সঙ্গে নাম জড়িয়ে যায় ডিএমকে-র  এ.রাজার। যদিও তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি আরও জানান, এই লাইসেন্স বণ্টনের পুরো প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবহিত ছিলেন তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহ। সেই সময় তথ্য দেওয়া হয়েছিল টেলিকম মন্ত্রক, কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার অন্যান্য মন্ত্রক এবং সলিসিটর জেনারলের থেকে। তার ভিত্তিতেই বণ্টন করা হয়। ১ লক্ষ্য ৭৬ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি মামালায় বেকসুর খালাস পেলেন  দক্ষিণী রাজনীতির বর্ষীয়ান নেতা করুণানিধির মেয়ে কানিমোঝি। নিস্তার পেল করুণানিধি’র দল ডিএমকে এবং রাহুলের নেতৃত্বাধীন কংগ্রেস।