হেরেও হার মানতে নারাজ বিরোধীরা, অস্বস্তি ঢাকতে টুইট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Mamata Banerjee
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
Mamata Banerjee
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

আজবাংলা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর সাফ কথা,  গুজরাটে বিজেপির ক্ষমতা দখলকে ‘সাময়িক জয়’ হিসেবেই দেখছেন মমতা। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টুইট করে জানিয়েছেন, “এই সময়ে দাঁড়িয়ে ভারসাম্যমূলক রায় দানের জন্য গুজরাটের মানুষকে অভিনন্দন। গুজরাটের মানুষ নৃশংসতা, অবিচারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন। এই রায় সাময়িক এবং মুখ রক্ষার জয়। গুজরাট ভোটে নীতিগত পরাজয় হয়েছে বিজেপি’র”।   মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারন ভোটার কে কঠাকো করে বলেন ২০১৯ লোকসভা ভোটের আগে বেড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধল গুজরাট’। দিল্লিতে বিজেপি-র সদর দফতরে এ দিন প্রধানমন্ত্রী মোদীর বক্তব্য শোনার জন্য দলীয় কর্মীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। গুজরাট-হিমাচলে ক্ষমতা দখলের পর ‘বিকাশের স্লোগানকেই’ তুলে ধরেছে বিজেপি। নরেন্দ্র মোদীর বিকাশ মডেলই যে আগামী দিনে বিজেপির মূল রসদ হতে চলেছে, সেকথাও জানিয়েছেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ। গুজরাটে তুলনামূলক ‘খারাপ’ ফলের কথা স্বীকার করে নিয়ে সাংবাদিক সন্মেলনে শাহ জানান, “এখান থেকে আমরা শিক্ষা নিয়েছি। ২০১৯-এর নির্বাচনে আরও ভাল ফল করবে ভারতীয় জনতা পার্টি। সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ বলেন, ‘‘এই ভোটে প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের রাজনীতিরই জয় হয়েছে। পরাজয় হয়েছে পরিবারতন্ত্র, জাতপাত আর তোষণের রাজনীতির। ভোটাররা বুঝিয়ে দিয়েছেন, উন্নয়নই তাঁদের পছন্দ। পরিবারতন্ত্র্, জাতপাত আর তোষণের রাজনীতিকে তাঁরা পছন্দ করেন না। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, গুজরাত এবং হিমাচলপ্রদেশের মানুষ যে ভালবাসা এবং আস্থা দেখিয়েছেন তার জন্য তাঁদের প্রতি মাথা নত করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। কথা দিচ্ছি, এতদিন যে ভাবে এই রাজ্যে উন্নয়ণ চলেছে, কাজে এতটুকু খামতি থাকবে না। ‘‘যাঁরা বলেছিলেন, জিএসটির জন্য ভোটে আমাদের ফলাফল খারাপ হবে, তারা দেখলেন কাজ করলে মানুষের ভোট পেতে অসুবিধা হয় না। আর কাজ না করলে কী হয়, কংগ্রেস তা ফের বুঝতে পারল হিমাচল প্রদেশে।’’