মুসলিম দেশের নাগরিকদের আমেরিকা সফরে নিষেধাজ্ঞা, সম্মতি মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের

The citizens of Muslim-dominated countries
ডোনাল্ড ট্রাম্প
The citizens of Muslim-dominated countries
ডোনাল্ড ট্রাম্প

আজবাংলা  সেপ্টেম্বরে ট্রাম্প প্রশাসন সর্বশেষ যে ট্রাভেল ব্যান চালু করেছে, তাকে সুপ্রিম কোর্ট সবুজ সংকেত দিল। এর ফলে ইরান,ইরাক, লিবিয়া, চাদ, সোমালিয়া, সিরিয়া ও ইয়েমেনের মানুষ আমেরিকায় সহজে ঢুকতে পারবেন না। মুসলিম অধ্যুষিত দেশের নাগরিকদের ওপর আমেরিকা সফরে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তা মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের পূর্ণ সম্মতি পেল। শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিয়েছে, এই নীতি সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই তবে এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মামলা চলতেই পারে। ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশে সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। ট্রাম্প কি যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তেল আবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে নেবেন? মিসরের মুসলিম ব্রাদারহুডকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেবেন? সিরিয়ার সংঘাতের বিষয়ে তিনি কি রাশিয়ার সঙ্গে একই অবস্থান নেবেন? জর্জ ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ নাথান জে ব্রাউন বলেন, ‘ওই সবগুলোই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ট্রাম্প। সাতটি দেশের নাগরিকদের নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ট্রাম্প তাঁর নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশ স্থগিত করেছেন।  বিমানবন্দরগুলোতে আসা শরণার্থীদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। গত রোববার ট্রাম্প প্রশাসন জানায়, গ্রিন কার্ডধারীদের যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। ওই দিন সন্ধ্যায় ট্রাম্প ফেসবুক পোস্টে বলেন, তাঁর নীতি মুসলিমদের নিষিদ্ধ করা নয়। এবং তিনি ভুল প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য গণমাধ্যমকে অভিযুক্ত করেন। এর কয়েক ঘণ্টা আগে টুইটারে ট্রাম্প বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের খ্রিষ্টানদের ব্যাপক হারে মারা হচ্ছে। আমরা এই ভয়াবহতা অব্যাহত রাখার অনুমোদন দিতে পারি না!’ গত বুধবার ট্রাম্পের পক্ষে সাফাই গেয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল-নাহিয়ান বলেন, সাতটি মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের শরণার্থীদের ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা-সংক্রান্ত ট্রাম্পের সিদ্ধান্তটি ইসলামবিরোধী দৃষ্টিকোণ থেকে নেওয়া নয়।