মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী বলে স্বীকৃতি দিলেন

US President Donald Trump recognizes Jerusalem as the capital of Israel
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী বলে স্বীকৃতি দিলেন
US President Donald Trump recognizes Jerusalem as the capital of Israel
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী বলে স্বীকৃতি দিলেন

আজবাংলা গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে প্রবেশের ১০ মাসের মাথায় তিনি সেই প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন করলেন। ইহুদি ধর্মের পবিত্রতম ক্ষেত্র হল এই জেরুজালেম। পাশাপাশি ইসলামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাসনালয় আল আকসা মসজিদ রয়েছে এখানে। রয়েছে বেশ কয়েকটি খ্রিষ্টান চার্চও। হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই স্বীকৃতির ব্যাপারে নিজের দৃঢ় সংকল্পের কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ‘আমি ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ ছিলাম। কাজটা ঠিকই হয়েছে।’ তবে ইজরায়েল এই ঘোষণাকে দুহাত তুলে স্বাগত জানিয়েছে। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ঐতিহাসিক, পুরোপুরি সঠিক ও সাহসী। ট্রাম্প বলেছেন, এতদিন ধরে যে নীতি মেনে চলে আসা হয়েছে, তা মধ্য প্রাচ্যে শান্তি আনতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তাই আমেরিকার স্বার্থেই জেরুজালেমকে ইজরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিচ্ছেন তিনি। অর্থাৎ জেরুজালেম নিয়ে প্যালেস্টাইনের যে দাবি রয়েছে তা এবার পুরোপুরি অস্বীকার করল আমেরিকা। তবে এর ফলে জেরুজালেমের রাজনৈতিক ও ভৌগলিক সীমানার কোনও পরিবর্তন হবে না বলে আমেরিকা জানিয়েছে। এদিকে হামাস ট্রাম্পের এই ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলেছে, এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুআমেরিকার নীতিতে ‘নরকের দরজা’ খুলে গেল। তারা আরব ও অন্যান্য মুসলিম দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে আমেরিকার দূতকে নিজ নিজ দেশ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ সম্ভবত আগামীকাল আমেরিকার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনায় বসবে। ১৫ সদস্যের পরিষদের মধ্যে ৮টি দেশ অনুরোধ করেছে এই মর্মে। ১৯৯৫ সালে ইসরায়েলের রাজধানী তেল আবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে নেওয়া হবে—এই মর্মে একটি আইন পাস হয়েছিল আমেরিকায়। কিন্তু এরপর থেকে প্রতি ছয় মাস পরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি আদেশে সই করেন।  সাত দশক ধরে মার্কিন প্রশাসনের কাছে এটি ‘স্পর্শকাতর’ বিষয় হিসেবেই চিহ্নিত ছিল। বিতর্ক এড়াতেই আমেরিকার কোনো প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। সমঝোতার ভিত্তিতে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের সুরাহা করার যে মার্কিন নীতি, তার স্পষ্ট ব্যত্যয় ট্রাম্পের এই ঘোষণা। হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই স্বীকৃতির ব্যাপারে নিজের দৃঢ় সংকল্পের কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ‘আমি ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ ছিলাম। কাজটা ঠিকই হয়েছে।